ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পবিত্র আল–কোরআন অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনতার মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দুপুরের দিকে উপজেলার একটি এলাকায় এক ব্যক্তি পবিত্র কোরআন শরিফ লাথি মেরেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন,
“ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মসজিদের ইমামরা সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন,
“ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া গুরুতর অপরাধ। তবে বিচার অবশ্যই আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।”
পুলিশ জানিয়েছে, কোরআন শরিফে লাথি মারা ইচ্ছাকৃত নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে—তা নির্ণয়ে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, সাক্ষ্যগ্রহণ ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টহল জোরদার করা হয়েছে।